মানবতার উজ্জল দৃষ্টান্ত দেখিয়েছেন বাড়িয়ালা এটি এম জাফরুল হাসান ডন

0

কোভিড-১৯ করোনা সারাবিশ্বে এক আতঙ্কের নাম বিশ্ব নেতৃবৃন্দ এই মরণঘাতী ভাইরাসের বিরুদ্ধে আমরণ লড়াই করে যাচ্ছেন। কোনো কূলকিনারা পাচ্ছেন না তারা। গত ৮ মার্চ ২০২০ইং বাংলাদেশে প্রথম এ ভাইরাস আক্রান্ত রোগীর সন্ধান মিলে।

তারই ধারাবাহিকতা হিসেবে বাংলাদেশও করোনার বিস্তার ঘটেছে রাজধানীতে দিশেহারা হয়ে গেছে রাজধানীর মানুষ গুলো তখনি মাঠে নেমে দিনরাত প্ররিশ্রম করে যাচ্ছেন বাংলাদেশ পুলিশের সদস্যবৃন্দ। প্রতিনিয়ত জীবনের সাথে যুদ্ধো করে লড়াই করে যাচ্ছেন তারা।

পরিবার পরিজনের মায়া ত্যাগ করে পুলিশ সদস্য নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন তারা। এই পরিস্থিতিতে ঢাকা শহরে ভাড়া বাসা থাকা পুলিশ সদস্য গুলো অনেক ভোগান্তির ও স্বীকার হয়েছেন জানা গেছে, অনেক পুলিশ সদস্য নার্স কে বাসা ছাড়ার ও নোটিশ দিয়েছেন বাডিয়ালা।

ঠিক তখনি মহামানব বাডিয়ালা ফেরেস্তার মতো নিজের ব্যক্তিগত ফ্ল্যাট ছেড়ে দিয়েছেন এক পুলিশ সদস্যকে
এএসআই মাসুদ রানা ৫ নর্থ সার্কুলার রোড, ভুতেরগলি, ধানমন্ডির দুই রুমের ছোট্ট একটি ফ্ল্যাটে স্ত্রী ও ছোট্ট ২টি শিশু নিয়ে থাকেন সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে চলবেন বা পরিবারকে কোরোনা সংক্রমণ থেকে রক্ষা করবেন তাই হসপিটালে যাবার সিদ্ধান্ত নেন।

ঠিক তখন বাডিয়ালা প্রকৌশলী ইন্জিনিয়ার এটি এম জাফরুল হাসান ডল নিজের থাকার একটি ফ্ল্যাট খালি করে দেন পুলিশ সদস্য এএসআই মাসুদ রানা কে, বলেন আপনি আমার এই ফ্লাটে আইসুলিয়শনে থাকেন।

গত দুই মাসে মাঠে থেকে কাজ করেছেন কলাবাগান থানায় কর্মরত এএসআই মাসুদ রানা, হঠাৎ করে নিজেও যখন জ্বর সর্দি কাশি তে ভুগছেন ঠিক তখনি করোনা নমুনা পরীক্ষা করাতে গিয়ে পজেটিব দেখে নিজে হতাশ হয়ে পড়েন ঠিক তখনি বাডিয়ালা ফোন দিয়ে কোথায় তাকে বাসা ছাড়তে বলবেন।

তা না করে, এএসআই মাসুদ রানাকে ফোন দিয়ে বলেন চিন্তা করবেন না আপনি দুরে থাকার দরকার নেই আপনি আমার নিজের ফ্ল্যাটে থাকবেন।মানবতার আরেক উজ্জল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন বাডিয়ালা প্রকৌশলী ইন্জিনিয়ার এটিএম জাফরুল হাসান ডন মানুষ মানুষের জন্য জীবন জীবনের জন্য একটু সহানুভূতি কি মানুষ পেতে পারে না। তাই মানবিক দিক বিবেচনা করে তিনি এই সিদ্ধান্ত নেন বলে জানিয়েছেন প্রকৌশলী ইন্জিনিয়ার এটিএম জাফরুল হাসান ডন।